মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ মার্চ ২০২২

বিদ্যুৎ শক্তির সঞ্চালন, বিতরণ ও অবকাঠামোর সমন্বয়

বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন বা সঞ্চারণ এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে বিদ্যুৎশক্তি ব্যবহারকারীদের কাছে প্রেরণ করা হয়। সাধারণতঃ বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত সাবস্টেশন পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিবহনকে বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালণ বলা হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তিকে আরোহী রূপান্তরকের (transformer) মাধ্যমে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করে তা সঞ্চালন করা হয়। সঞ্চালিত বিদ্যুৎ সাবস্টেশনে গেলে সেখানে আবার অবরোহী রূপান্তরকের মাধ্যমে নিম্ন বিভবে রূপান্তরিত করা হয়। বসতবাড়ি বা শিল্প কারখানায় সাধারণত সঞ্চালণ বিভবের থেকে কম বিভবেই বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করা হয়। এজন্য সঞ্চালণ বিভব থেকে বণ্টন বিভবে রূপান্তর অবশ্যম্ভাবী।

 

বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালণ এবং বিদ্যুৎশক্তি বিতরণ দুটি ভিন্ন ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে। বিদ্যুৎশক্তি বিতরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাবস্টেশন থেকে ব্যবহারকারীর কাছে বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহ করা হয়। বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ শক্তি দূর দূরান্তে সরবরাহ করা হয় বিধায় সাধারণতঃ এ ব্যবস্থায় উচ্চ বিভব  ব্যবহার করা হয়। মূলতঃ ঝুলন্ত সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে দূর দূরান্তে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। শুধুমাত্র ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় (যেমন বড় বড় শহরে) মাটির নিচ দিয়ে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। এসব এলাকায় বিপুল পরিমাণে ক্যাপাসিটিভ এবং রেজিস্টিভ লস থাকে এবং এখানে ঝুলন্ত সঞ্চালন লাইন নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল বলে মাটির নিচে সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করা হয়।

 

বিদ্যুতের ভোল্টেজ ও ফ্রিকোয়েন্সির ওঠানামা, ঘন ঘন এবং অপ্রত্যাশিত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা পুরোনো। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ালেও মানসম্মত সেবা পাচ্ছেন না ভোক্তারা। এখন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ। এ জন্য সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের উন্নয়ন জরুরী।

 

গ্রাহকের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও উন্নত সেবা বাড়াতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাজেটেও এ খাতে বরাদ্দ বাড়ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে এবার বরাদ্দ বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৩ শতাংশ। টাকার অঙ্কে এবার বরাদ্দ ২৭ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ২৬ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা।

সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনে সমস্যা রয়ে গেছে। সমাধানের জন্য জোর তৎপরতা চলছে। বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে মহানগর এলাকার সব বিতরণ লাইন ও সাবস্টেশন মাটির নিচে নেওয়া হবে।

২০৩০ সালের মধ্যে সঞ্চালন লাইন হবে ২৮ হাজার কিলোমিটার। বর্তমানে আছে প্রায় ১৩ হাজার ২১৩ কিলোমিটার। গত এক যুগে বেড়েছে প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার। বর্তমানে বিতরণ লাইন আছে ৬ লাখ ১৪ হাজার কিলোমিটার। ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটার বিতরণ লাইন করা হবে। গত এক যুগে বেড়েছে ৩ লাখ ৫৪ হাজার কিলোমিটার। সঞ্চালন লাইনের টাওয়ার বসাতে জমি দিতে কেউ রাজি হতে চায় না। তাই অনেক সময় লেগে যায়। এখন জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে।

উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে দ্রুত উন্নয়ন ও শিল্পায়নের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকেই নজর দেয়া হয়েছে বেশি। ফলে গত দশ বছরে ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সহ প্রায় ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। চলতি মাসেই (মার্চ ২২) শতভাগ মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই সময়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের উন্নয়ন সম্ভব হয়নি। বিদ্যুৎ উৎপাদনে দ্রুত উন্নয়নের কারণ অনেকগুলো কোম্পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজ করেছে। কিন্তু একমাত্র সরকারি বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি পিজিসিবি নানা সীমাবদ্ধতার কারণে সে অনুপাতে সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করতে পারেনি। বর্তমানে সঞ্চালন ও বিতরণ লাই্নের সক্ষমতা গড়ে ১০ থেকে ১২ হাজার মেগাওয়াটের। বিতরণ ও সঞ্চালন লাইনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত উপকেন্দ্র বা সাবস্টেশনের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও নেই। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও সবার কাছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে দ্রুত সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন স্থাপন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে সরকারি কোম্পানির পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগক্তাদেরও যুক্ত করার সরকারি নির্দেশনা রয়েছে।

আমাদের সর্বোচ্চ সঞ্চালন ক্যাপাসিটি মাত্র ১৩ হাজার ২১৩ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ডিজাইন পারস্পেক্টিভ বিবেচনায় ইনস্টল্ড ক্যাপাসিটির প্রায় ৩৬ শতাংশ উৎপাদনসক্ষম বিদ্যুতের জন্য কোনো সঞ্চালন ক্যাপাসিটি নেই। অথচ উৎপাদনের চেয়ে সঞ্চালনের ক্যাপাসিটি অন্তত ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি থাকা বাঞ্ছনীয়। বর্তমানে হাজার হাজার ট্রান্সফরমার ওভারলোডেড অবস্থায় রয়েছে। ফলে চরম নাজুক হয়ে পড়েছে বিতরণ ব্যবস্থা, প্রায়ই পুড়ে যাচ্ছে ট্রান্সফরমার। এতে লোডশেডিং নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিতরণ ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না আসায় প্রতি বছর বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার পোড়াজনিত আর্থিক ক্ষতি গুনতে হচ্ছে রাষ্ট্রকে। বিদ্যুৎ খাতে শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে, তার প্রায় সবটাই উৎপাদনে। সঞ্চালন ও বিতরণের অবকাঠামো নির্মাণে আমাদের মনোযোগ কমই ছিল, সাধারণভাবে বিতরণ লাইন বেড়েছে কিন্তু লোড ডিস্ট্রিবিউশন সক্ষমতা বাড়ানো হয়নি, যদিও প্রযুক্তির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গ্রাহকপ্রতি বিদ্যুৎ চাহিদা। বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও চাহিদা অনুযায়ী তা সরবরাহ করা যাচ্ছে না। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণে সামঞ্জস্যহীন উন্নয়নের অসমন্বিত ও অস্থায়িত্বশীল মডেলে দেশের অর্থনীতি ও দৈনন্দিন যাপিত জীবনের মান অতিমাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত।

দেশে বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় নির্মাণ করা হচ্ছে স্মার্ট গ্রিড। প্রচলিত বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার সঙ্গে ডিজিটাল ও তথ্য-প্রযুক্তির সংযোগ ঘটানোর নামই হচ্ছে স্মার্ট গ্রিড ৷ আশির দশকে প্রযুক্তিবিদরা যখন বিদ্যুতের মিটার আপগ্রেড করার কথা ভাবছিলেন তখন তাতে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হয়, সেই থেকেই স্মার্ট গ্রিড ধারণার উৎপত্তি। চীন, কোরিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের উন্নত বেশ কয়েকটি দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও এখন চালু করা হচ্ছে এই প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার বাড়িতে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হচ্ছে তা সহজেই জানতে পারবেন।

বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার সর্বশেষ প্রযুক্তি হচ্ছে এই স্মার্ট গ্রিড। এই ব্যবস্থায় বিতরণ লাইনের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি যুক্ত থাকায় একজন গ্রাহক নিজে যেমন তার বিদ্যুৎ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তেমনি বিতরণ কোম্পানিও গ্রাহকের চাহিদা সম্পর্কে জানতে পারে, সে অনুসারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়। এতে সিস্টেম লস কম হয়। এছাড়া বিতরণ ব্যবস্থায় কোন ত্রুটি থাকলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিহ্নিত করে এর সমাধানও জানিয়ে দেয় স্মার্ট গ্রিড। বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (বিইপিআরসি) বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় স্মার্ট গ্রিড প্রযুক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যে “ Demand Response Enable Future Smart Grid to Maximize Intermittent RE Penetration and Reduce Electricity Loss and Theaf” নামে গবেষণা প্রকল্পে আর্থিক অনুদান প্রদান করছে। গবেষণা প্রকল্পটি চলতি বছরের শেষের দিকে শেষ হবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা পাওয়ার ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) এর আওতাধীন তেজগাঁও ও ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) এর আওতাধীন খুলনায় প্রথমবারের মতো পাইলট প্রকল্প হিসাবে স্মার্ট গ্রিড স্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অনেক সময় ট্রান্সমিশন লাইনের ত্রুটি খুঁজে পেতেই অনেক সময়ের অপচয় হয়, কিন্তু বর্তমানে স্মার্ট গ্রিডের সাথে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত থাকায় সহজেই সমস্যা সনাক্ত করে এর সমাধান দেওয়া যাবে। এই স্মার্ট গ্রিড পিক টাইম এবং অফ পিক টাইমে বিদ্যুৎ খরচের হিসাব আলাদাভাবে রাখতে পারবে, ফলে গ্রাহকরা সহজেই তার হিসাব ও খরচ সম্পর্কে জানতে পারবে। এই পাইলট প্রকল্পের সুফল বিবেচনায় পরে নতুন এলাকায় স্মার্ট গ্রিড সম্প্রসারণ করা হবে।

 

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তন নতুন চ্যালেঞ্জ। প্রাকৃতিক ঝড়, বন্যা, বৃষ্টিপাত ইত্যাদির কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বাড়ছে। সামান্য ঝড় কিংবা বৃষ্টিতে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় প্রায়ই বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখতে হচ্ছে। দুর্বল বিতরণ লাইনের কারণে বিদ্যুতায়িত হয়ে মানুষ ও প্রাণী প্রায়ই মারা যাচ্ছে। দুর্যোগের আশঙ্কায় প্রায়ই বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখতে হচ্ছে যা কাম্য নয়। প্রাকৃতিক ঝড়, বন্যা, বৃষ্টিপাত সবসময়ই ছিলো, ভবিষ্যতেও থাকবে। অতএব সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নয়ন করেই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। উন্নত জেনারেটর ব্যবহার এবং বিতরণ ও উৎপাদন কেন্দ্রের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও যথাযথ সমন্বয় স্থাপন করতে হবে। তাহলেই জাতীয় গ্রিড বা সঞ্চালন লাইনে বিপর্যয় অনেকাংশে কমে যাবে।

 

দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুকিতে রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এসব দূর্যোগের হারও বাড়ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সরবরাহ ও বিতরণ লাইন, ট্রান্সফরমার, সাবস্টেশন প্রভৃতি অবকাঠামো বড় ধরণের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আলোচ্য অঞ্চলের তাপমাত্রা বাড়ছে। এতে বিতরণ লাইন গলে বড় ধরণের দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে। টেকসই বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা-সহিষ্ণু প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র অনেক বছর ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহনীয় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। দেশটি বিদ্যুৎ লাইনকে মাটির নিচে টানেল নির্মাণের মাধ্যমে টেকসই প্রক্রিয়ায় স্থানান্তর করেছে। একইভাবে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থাকে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংগে তাল মিলিয়ে উন্নত করতে হবে। মাটির নিচে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারণ প্রথম অবস্থায় ব্যয়বহুল মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি টেকসই। কারণ এতে দ্রুত বিদ্যুৎ লাইন মেরামত, সংস্কার ইত্যাদি ব্যয়সাশ্রয়ী প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা সম্ভব। উন্নত দেশগুলো এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করায় বিদ্যুৎ দুর্ঘটনাও কমে আসছে। বানলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে। ব্যয়বহুল হলেও উন্নত দেশকে অনুসরণ করেই টেকসই বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

 

বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (বিইপিআরসি) নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা ও টেকসই বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালণ ব্যবস্থার অগ্রগতি সাধনের লক্ষ্যে প্রায়োগিক গবেষণা ভিত্তিক প্রকল্পে অর্থায়ন করছে।

   


Share with :

Facebook Facebook